Facebook
Kolorob / কলরব | সজলের গল্প
16398
post-template-default,single,single-post,postid-16398,single-format-standard,ajax_fade,page_not_loaded,,qode-title-hidden,side_menu_slide_from_right,qode-theme-ver-9.2,wpb-js-composer js-comp-ver-4.11.2.1,vc_responsive

সজলের গল্প

“কৈশোর বয়স থেকেই আমি বিভিন্ন রকম সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজের সাথে যুক্ত থেকেছি। কলরবের সাথে যুক্ত হবার আগে আমি অন্য আরেকটি প্রকল্পের সাথে যুক্ত ছিলাম। যখন আমি জানতে পারি যে কলরব আমার এলাকার মানুষের জন্য কাজ করবে, তখন আমি এ প্রকল্পে আবেদন করি এবং নির্বাচিত হবার পর এর সাথে আমার যাত্রা শুরু হয়। এখানে আমি অনেক প্রয়োজনীয় বিষয় সম্পর্কে শিখতে পারছি যা আমাকে সবসময় সাহায্য করবে।”

সজল গত পনের বছর ধরে মিরপুর এলাকায় বসবাস করে। সে বর্তমানে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ তে সমাজকর্ম বিষয়ে স্নাতক শ্রেণীতে পড়াশোনা করছে। সজল তার প্রতিবেশীদের সাথে সময় কাটাতে পছন্দ করে। প্রতিদিন সে নিজের ক্লাস ও কাজের দায়িত্বের পাশাপাশি ফেইসবুক ব্রাউজিং করতে ভালবাসে। নিজ এলাকা ও প্রতিবেশীদের মাঝে সজল পরিচ্ছন্ন পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তুলতে আগ্রহী।

বর্তমানে সজল বাউনিয়াবাধ, মিরপুর এলাকায় কলরবের ইয়ুথ ফ্যাসিলিটেটর হিসাবে কাজ করছে। কলরবের বিভিন্ন ক্যাটাগরির সেবা সম্পর্কে সজল জানলেও তার কাছে বাজার টুলকে খুব কার্যকরী বলে মনে করে।

কলরব এর আগে, কোন সেবা সম্পর্কে জানতে সজল নিজের পরিবার ও প্রতিবেশীদের জিজ্ঞাসা করত, এ কারণে নির্দিষ্ট সেবা খুঁজে পেতে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীনও হয়েছে সে।

কলরবের সাথে যুক্ত থেকে আমি ইন্টারনেট ও গুগল ম্যাপ ব্যবহার শিখেছি, সাথেই জেনেছি কিভাবে মানুষের সাথে কার্যকরভাবে যোগাযোগ স্থাপন করা যায় এবং তথ্য-প্রযুক্তি সম্পর্কিত অনেক ট্রেনিং ও পেয়েছি।”

আমাদের এলাকায় কলরব এর তথ্যকেন্দ্রটি আমার খুব পছন্দের জায়গা। এলাকার মানুষ এখানে আসে এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে অংশগ্রহন করার উদ্দেশ্যে। এখান থেকে তারাসেবা সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য খুব সহজেই পায় এবং আমিও আমার সাধ্যমত তাদের সাহায্য করি।”

সমাজ ও মানুষের কল্যানে সজল আরও বড় পরিসরে কাজ করতে চায় এবং বিশ্বাস করে যে কলরবের মাধ্যমে তার এ ধরনের সুযীগ আসবে। সেইভ দ্য চিলড্রেন বাংলাদেশের অংশ হতে পেরে সজল অত্যন্ত গর্বিত এবং বিশ্বাস করে কলরব থেকে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা তাকে জীবনে অনেক সাহায্য করবে।

 “কলরবের অংশ হতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমি আশা করব এটি যেন সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং মানুষের জীবনকে সহজতর করার লক্ষ্যে অবদান রাখে।”

No Comments

Post A Comment